(১) চুক্তিসম্পাদনের পর হইতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল এবং উহার অধীন মূল্যপরিশোধ অথবা বিরোধ বা দাবি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রয়কারী কর্তৃক সম্পাদিতব্য সকল প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরি বিষয়াদি চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত থাকিবে।
(২) সরবরাহ, মূল্যপরিশোধ, মাননিয়ন্ত্রণ, চুক্তিবাস্তবায়ন, ক্ষতিপূরণ (Compensation), বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ (Liquidated damage) প্রদান এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য সম্মত শর্তাদি-সংবলিত স্বাক্ষরিত চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকল্পে ক্রয়কারী কার্যকর চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার কলাকৌশল অবলম্বনের লক্ষ্যে পেশাগত রীতি-নীতি প্রয়োগ করিবে।
(৩) ক্রয়কারী নিশ্চিত করিবে যে, ক্রেতব্য পণ্য, কার্য বা সেবা ক্রয়চুক্তিতে নির্ধারিত কারিগরি শর্তাবলি পূরণ করে এবং এতদুদ্দেশ্যে ক্রয়কারী পরিদর্শন ও পরীক্ষণের (Testing) সুবিধা সৃষ্টি, পরিদর্শন টিম গঠন, পরীক্ষাগার (Laboratory) এবং পরিদর্শন ও পরীক্ষণ ব্যবস্থাদির যৌথ বা সম্মিলিত ব্যবহারের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজন অনুসারে পরিদর্শন ও পরীক্ষণ কাজের জন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহিত চুক্তিসম্পাদন করিতে পারিবে।
(৪) চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত থাকিবে :
(ক) কর্মপরিকল্পনা পুনরীক্ষণ ও অনুমোদন;
(খ) গুণগতমান পরিদর্শন ও পরীক্ষণ এবং কর্মপরিকল্পনা অনুসারে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর, কার্যসম্পাদনের পরিমাণ নির্ণয়সহ চুক্তিবাস্তবায়নের অগ্রগতি পরিবীক্ষণ;
(গ) ভেরিয়েশন অর্ডার, চুক্তি স্থগিতকরণ বা অবসান, মূল্য পুনর্নির্ধারণ, চুক্তির প্রতিবিধানমূলক ব্যবস্থাদি (যথা: ক্ষতিপূরণ আরোপ, বিলম্বে প্রাপ্য পরিশোধ) প্রয়োগ এবং বিরোধ বা দাবি নিষ্পত্তি পদ্ধতির ব্যবস্থাপনা;
(ঘ) মূল্যপরিশোধসহ চুক্তিবাস্তবায়ন-সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়াদি এবং বাজেট, মূল্যবিশ্লেষণ ও হিসাবরক্ষণ-সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা;
(ঙ) চুক্তিবাস্তবায়ন-সংক্রান্ত দলিলাদির বিন্যাস ও ব্যবস্থাপনা এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর চুক্তিবাস্তবায়ন-সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রণয়ন।
(৫) প্রকল্প ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চুক্তির দায়বদ্ধতা প্রতিপালন, সময়, ব্যয় ও মাননিয়ন্ত্রণকল্পে সূচনা হইতে সমাপ্তি এবং হস্তান্তর অবধি নির্মাণকার্যের তত্ত্বাবধান ছাড়াও প্রকল্পের ডিজাইনের পুনরীক্ষণ করিতে পারিবে।
(৬) কার্যের বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধানের উদ্দেশ্যে ক্রয়কারী, একজন সুযোগ্য প্রকল্প পরিচালক, প্রকল্প ব্যবস্থাপক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অতঃপর এই বিধিতে যাহাকে প্রকল্প ব্যবস্থাপক বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে, তাহার নিকট প্রকল্প বা চুক্তি ব্যবস্থাপনা ন্যস্ত করিবে।
(৭) কার্যকরভাবে চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ক্রয়কারী প্রয়োজনীয় ভৌত সুবিধাদি এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংস্থান করিবে এবং উক্তরূপ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকিতে পারে, তবে কেবল উহাদের মধ্যেই সীমিত থাকিবে না :
(ক) চুক্তিপ্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য ডিজাইন ও পরিবীক্ষণমূলক কার্যাবলির সংস্থানসহ প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকৌশল ও ডিজাইন সার্ভিস প্রদান;
(খ) মূল্যপরিশোধ এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা;
(গ) চুক্তিপরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা কার্যে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য তথ্যের সমন্বিত প্রক্রিয়াকরণ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের আদান-প্রদান ও প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি; এবং
(ঘ) আইনগত পরামর্শ গ্রহণ।
(৮) দরপত্রদাতাগণের জন্য নির্দেশনায় প্রদত্ত বর্ণনার ভিত্তিতে চুক্তিমূল্য হিসাব করিতে হইবে, যাহা প্রকৃত সরবরাহকৃত পণ্য বা প্রকৃত বাস্তবায়িত কার্য বা প্রকৃত সম্পাদিত সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এককদর অথবা প্রকৃত সরবরাহকৃত পণ্য বা প্রকৃত বাস্তবায়িত কার্য বা প্রকৃত সম্পাদিত সেবা নির্বিশেষে সামগ্রিক চুক্তি বা উহার অংশবিশেষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য থোক মূল্যের ভিত্তিতে হইতে পারে।
(৯) মূল্যসমন্বয়ের সংস্থান সংবলিত কার্যচুক্তি বা সেবাসম্পাদন চুক্তি ব্যতীত, চুক্তিমূল্য অপরিবর্তনীয় হইবে এবং এইসকল ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে এককদর পরিবর্তন করা যাইবে না।
(১০) চুক্তিতে মূল্যসমন্বয়ের বিধান থাকিলে, যে সকল শর্তসাপেক্ষে মূল্যসমন্বয়ের অনুমতি দেওয়া যাইবে (যেমন—দ্রব্যাদি, শ্রম ও জ্বালানি বাবদ ব্যয়বৃদ্ধি, ইত্যাদি), মূল্যসমন্বয়ের সমর্থনে অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক পরিস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ মাত্রায় পরিবর্তিত হইয়াছে কি-না এবং হইয়া থাকিলে বৃদ্ধির পরিমাণ কত, কতবার মূল্যসমন্বয় করা যাইবে এবং কি পদ্ধতি অনুসরণক্রমে তাহা করা হইবে, এতৎসংক্রান্ত ফরমুলা ও সূচক চুক্তিতে উল্লেখ করিতে হইবে।
(১১) মূল চুক্তিমূল্যে অনুমোদিত শতকরা হার অপেক্ষা অধিক হারে পণ্য বা কার্যের চাহিদার পরিমাণগত হিসাব এবং সেবার ব্যাপ্তি বৃদ্ধি পাইলে, একটি নূতন ক্রয়-প্রক্রিয়া সূচিত করিতে হইবে, অথবা সরাসরি বা একক উৎস হইতে ক্রয়ের সমর্থনে যৌক্তিকতা প্রদর্শন করিতে হইবে।
(১২) ক্রয়কারী বিধি ৫২, ৫৩ ও ৫৪ অনুযায়ী চুক্তির মূল শর্তে আনীত পরিবর্তনসমূহ প্রতিফলিত করিবার উদ্দেশ্যে আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ অনুসারে চুক্তিসংশোধন করিবে।
(১৩) চুক্তির সংশোধনীতে সাধারণত বিধি ৫১-এর উপবিধি (৩) ও (৪) অনুসারে প্রত্যাশিত কার্যসমাপ্তির তারিখ সম্প্রসারণ এবং অন্য কোনো গ্রহণীয় পরিবর্তনের বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকিবে।
(১৪) যে সকল ক্ষেত্রে ইকনোমিক অপারেটর, পণ্যসরবরাহ বা কার্যসম্পাদন বা সেবাসম্পাদনে বিলম্বের কারণে চুক্তির বিশেষ শর্তসমূহে (Particular Conditions of Contract) উল্লিখিত সম্মত অঙ্কের অর্থপরিশোধে বাধ্য থাকে, সেই সমস্ত দায় পরিশোধের ব্যাপারে ক্রয়কারী নিম্নরূপ অনুবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে, যথা:
(ক) বিলম্বের সময় এককের ভিত্তিতে প্রদেয় সম্মত অর্থআদায়;
(খ) ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রদেয় অর্থআদায়; এবং
(গ) বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ হিসাবে অর্থপ্রদানের কারণে, ইকনোমিক অপারেটরকে চুক্তি বাস্তবায়নের দায়-দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান না করা।
(১৫) ক্রয়কারী চুক্তিপরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার পরিবীক্ষণের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাহিদা মোতাবেক দলিলাদি, প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য সরবরাহ করিবে।
(১৬) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর (আয়কর, ভ্যাট, শুল্ক, ইত্যাদি) সংশ্লিষ্ট কোনো আইন, বিধি, আদেশ, ইত্যাদি দ্বারা করহার পরিবর্তন করা হইলে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের অনুমোদনক্রমে চুক্তিমূল্য এমনরূপে সংশোধন (হ্রাস বা বৃদ্ধি) করিতে হইবে যেনো উক্ত আইনগত পরিবর্তনের কারণে ইকনোমিক অপারেটরের প্রাপ্য নিট অর্থের কোনো পরিবর্তন না হয়।
(১৭) এই বিধিমালার বিধি ৫২ ও ৫৬-তে বর্ণিত প্রক্রিয়ায় মূল ক্রয়চুক্তিতে সংশোধন আনিবার প্রয়োজন হইলে, যে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ মূল চুক্তিসম্পাদনের অনুমোদন প্রদান করিয়াছিল, সরকারের আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশের সহিত সংগতি রাখিয়া, উক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে তফসিল-২-এ বর্ণিত মূল্যসীমার ভেরিয়েশন অর্ডার বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ জারি করা যাইবে।
উদাহরণ-১।- ধরিয়া লওয়া যাক, পণ্যসরবরাহ বিষয়ক উন্নয়ন বাজেটভুক্ত কোনো একটি ক্রয়ের মূল চুক্তিমূল্য ১২ (বারো) কোটি টাকা। আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ অনুযায়ী উক্ত ক্রয়ের অনুমোদন প্রদান করিয়াছিল ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান। এই বিধিমালায় প্রদত্ত বিধান অনুসরণে অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রক্রিয়াকরণ করা হইল যাহার মূল্যমান ৮৪ (চুরাশি) লক্ষ টাকা (যাহা মূল চুক্তিমূল্যের শতকরা ৭ ভাগ)। এক্ষণে উপবিধি (১৭) অনুসরণে উক্ত অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশটি অনুমোদনের জন্য ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান এর নিকট উপস্থাপন করিতে হইবে।
উদাহরণ-২।— ধরিয়া লওয়া যাক, কার্যসম্পাদন-বিষয়ক পরিচালন বাজেটভুক্ত কোনো একটি ক্রয়ের মূল চুক্তিমূল্য ৯৬ (ছিয়ানব্বই) কোটি টাকা। আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ অনুযায়ী উক্ত ক্রয়ের অনুমোদন প্রদান করিয়াছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এই বিধিমালায় প্রদত্ত বিধান অনুসরণে ভেরিয়েশন প্রক্রিয়াকরণ করা হইলো যাহার মূল্যমান ৬(ছয়) কোটি টাকা (যাহা মূল চুক্তিমূল্যের শতকরা ৬.২৫ ভাগ)। স্বাভাবিকভাবে উক্ত ভেরিয়েশনটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য হলেও (চুক্তিমূল্যের শতকরা দশ ভাগের কম হওয়ায়), ভেরিয়েশনজনিত সংশোধিত চুক্তিমূল্য (১০২ কোটি) অনুমোদনের বিষয়টি আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ অনুযায়ী যেহেতু ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির এখতিয়ারে পড়ে, সেহেতু উপবিধি (১৭) অনুসরণে উক্ত ভেরিয়েশনটি অনুমোদনের সুপারিশের জন্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সভায় উপস্থাপন করিতে হইবে।
(১৮) উপবিধি (১৭)-তে বর্ণিত মূল্যসীমার ঊর্ধ্বে কিন্তু তফসিল-২-এ বর্ণিত মূল্যসীমার মধ্যে কোনো মূলচুক্তির ব্যাপ্তি মোতাবেক কাজ জরুরিভিত্তিতে সমাপ্ত করা আবশ্যক হইলে, যে অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ মূল চুক্তিসম্পাদনের অনুমোদন প্রদান করিয়াছিল, উহার পরবর্তী উচ্চতর পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে, সরকারের আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশের সহিত সংগতি রাখিয়া, ভেরিয়েশন অর্ডার বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রদান করা যাইবে।
উদাহরণ।— ধরিয়া লওয়া যাক, কার্যসম্পাদন-সংক্রান্ত উন্নয়ন বাজেটভুক্ত কোনো একটি ক্রয়ের মূল চুক্তিমূল্য ২২ (বাইশ) কোটি টাকা। আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ অনুযায়ী উক্ত ক্রয়ের অনুমোদন প্রদান করিয়াছিল ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান। এই বিধিমালায় প্রদত্ত বিধান অনুসরণে ভেরিয়েশন অর্ডার প্রক্রিয়াকরণ করা হইলো যাহার মূল্যমান ৫.২৫ (পাঁচ) কোটি টাকা (যাহা মূল চুক্তিমূল্যের শতকরা ২৩.৮ ভাগ)। এক্ষণে, উপবিধি (১৮) অনুসরণে উক্ত ভেরিয়েশন আদেশটি অনুমোদনের জন্য পরবর্তী উচ্চতর পর্যায় অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিতে হইবে।
(১৯) উপবিধি (১৭)-এ বর্ণিত বিধানের অনুসরণে যেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ভেরিয়েশন প্রস্তাবের অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ মন্ত্রণালয় বা সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি, সেইক্ষেত্রে সংশোধিত চুক্তিমূল্য মূল চুক্তিমূল্যের অধিক না হইলে এবং ভেরিয়েশনে প্রস্তাবিত চুক্তিবহির্ভূত আইটেমসমূহের মোটমূল্য তফসিল-২-এ বর্ণিত মূল্যসীমা অতিক্রম না করিলে উক্তরূপ ভেরিয়েশন অর্ডার, উপবিধি (১৭)-এ বর্ণিত বিধানের ব্যতিক্রম হিসাবে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান অনুমোদন করিবেন।
(২০) ভেরিয়েশন অর্ডার বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে ভেরিয়েশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ভেরিয়েশন বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রস্তাব এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সুপারিশের পাশাপাশি বিধি ১৫ অনুযায়ী গঠিত ভেরিয়েশন প্রতিপাদন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তফসিল-২-এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে প্রণীত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের নিম্নপর্যায়ের ভেরিয়েশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে তফসিল-২-এ বর্ণিত মূল্যসীমাবিশিষ্ট ভেরিয়েশন অর্ডার বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে ভেরিয়েশন প্রতিপাদন কমিটির প্রতিবেদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকিবে না।
(২১) ভেরিয়েশন অর্ডার বা অতিরিক্ত সরবরাহ আদেশ প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে উহা প্রস্তুতকরণ হইতে শুরু করিয়া অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উহা অনুমোদিত হওয়া পর্যন্ত সময়সীমা তফসিল-২- এ বর্ণিত সময়সীমার অধিক হইবে না।