(১) নিম্নবর্ণিত উদাহরণ অনুসারে সম্মিলিত কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়নে কারিগরি স্কোর নির্ধারণ করিতে হইবে :
উদাহরণ।— যদি কোনো কারিগরি প্রস্তাব ৯০ নম্বরপ্রাপ্ত হয়, এবং তুলনামূলক গুরুত্ব শতকরা ৮০ হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত তুলনামূলক গুরুত্ব প্রয়োগকরত এই প্রস্তাবের কারিগরি নম্বর হইবে ৯০ × ৮০% = ৭২
(২) প্রত্যেক প্রস্তাবের আর্থিক স্কোর এইরূপ নির্ধারিত হইবে যে সর্বনিম্ন মূল্যায়িত আর্থিক প্রস্তাবকে ১০০ নম্বর দেওয়া হইবে এবং অন্যান্য প্রস্তাবের ক্ষেত্রে আনুপাতিক ক্রমহ্রাসমান হারে নম্বর দেওয়া হইবে; সর্বনিম্ন আর্থিক প্রস্তাবের তুলনায় যেহারে অন্যান্যদের আর্থিক প্রস্তাব অধিক হইবে, সেইহারে প্রদেয় নম্বর হ্রাস পাইতে থাকিবে।
উদাহরণ।— যদি সর্বনিম্ন আর্থিক প্রস্তাবের দর ১ কোটি টাকা হয়, তাহা হইলে উহাতে প্রদত্ত আর্থিক নম্বর হইবে ১০০ (সর্বোচ্চ) এবং অতঃপর নির্ণেয় আর্থিক স্কোর হইবে নিম্নরূপ :
(৩) কারিগরি স্কোরের সহিত আর্থিক স্কোর যোগ করিয়া সম্মিলিত স্কোর পাওয়া যাইবে এবং সর্বোচ্চ সম্মিলিত স্কোর অর্জনকারী পরামর্শককে চুক্তি নেগোসিয়েশনের জন্য আমন্ত্রণ জানাইতে হইবে।